শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ‘নারী শক্তি’ উদ্যোগকে এক “মহাযজ্ঞ” হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যার লক্ষ্য হলো একবিংশ শতাব্দীতে নারীদের ক্ষমতায়ন করা। তিনি কংগ্রেস এবং তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রক্রিয়া (delimitation process) সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগও তোলেন; তাঁর দাবি, জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তিকর বয়ান বা আখ্যান ব্যবহার করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, এই সংশোধনীটি এমনভাবে প্রণয়ন করা হয়েছে যাতে নারীরা তাদের দীর্ঘ-প্রতীক্ষিত অধিকারগুলো লাভ করতে পারেন—যে অধিকারগুলো গত কয়েক দশক ধরে আটকে ছিল—এবং এই অধিকার প্রদান প্রক্রিয়াটি ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকেই কার্যকর হবে।
সংসদে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘নারী সংরক্ষণ বিল’ পাস হতে ব্যর্থ হওয়ার ঠিক একদিন পরেই প্রধানমন্ত্রী এই ভাষণ দিলেন। শুক্রবার লোকসভায় ‘সংবিধান (১৩১তম সংশোধনী) বিল’ নিয়ে এক উত্তপ্ত বিতর্কের অবতারণা হয়; এই বিলে লোকসভার মোট আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮১৬ করার প্রস্তাব করা হয়েছিল।
প্রস্তাবিত এই আসন বৃদ্ধির মূল লক্ষ্য ছিল ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগেই নারীদের জন্য আসন সংরক্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করা—যা ২০১১ সালের আদমশুমারির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত নির্বাচনী সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রক্রিয়ার (delimitation exercise) সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।


