বুধবার ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির একটি মার্কিন পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং এর পরিবর্তে নিজস্ব একটি পাল্টা প্রস্তাব পেশ করেছে; ঠিক সেই সময়েই দেশটি ইসরায়েল ও উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর ওপর আরও হামলা চালিয়েছে।
পাকিস্তানের দুজন কর্মকর্তা ১৫-দফা বিশিষ্ট মার্কিন প্রস্তাবটির মূল বিষয়গুলো তুলে ধরে জানান যে, এতে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ, দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিতকরণ, ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—যে প্রণালী দিয়ে সাধারণত বিশ্বের মোট তেলের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়।
ইরান তাদের নিজস্ব পরিকল্পনাটি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের মাধ্যমে প্রকাশ করেছে। এই পরিকল্পনায় ইরানের কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ড বন্ধ করা, দেশটির বিরুদ্ধে যাতে আর কোনো যুদ্ধ না বাঁধে তা নিশ্চিত করার উপায় নির্ধারণ, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ আদায়, পারস্পরিক বৈরিতার অবসান এবং হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পরবর্তীতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের মাধ্যমে বলেন, "শত্রুপক্ষের সাথে এখন পর্যন্ত কোনো আলোচনা হয়নি এবং আমরা আলোচনার কোনো পরিকল্পনাও করছি না।"
মধ্যপ্রাচ্যে এই যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটেছিল তখন, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালায় এবং সেই হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি ও অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতা নিহত হন।



