সাধারণত নির্বাচনের দিন এযাবৎকাল দেখা গিয়েছে শহর কলকাতায় ভোটের শতাংশের হার ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ। বিভিন্ন রকম ভাবে প্রচেষ্টা চালিয়েও কমিশন এই শতাংশের হার বাড়াতে এখনও পর্যন্ত ব্যর্থ। এবার এসআইআর এর ক্ষেত্রেও সেই একই ছবি দেখা গেল শহর কলকাতায়। রাজ্যের অন্যত্র প্রায় সব জায়গাতেই এসআইআর এর কাজ যখন শেষ পর্যায়ে তখন খোদ শহর কলকাতার বুকে বড় চিন্তার ভাঁজ নির্বাচন কমিশনের কপালে। তার কারণ শহর কলকাতায় বহু দল আবাসন থেকে শুরু করে বস্তি এলাকায় বারংবার বুথ লেভেল অফিসাররা গিয়েও দেখা পাচ্ছেন না অনেক ভোটারের যার ফলে un collectable এর সংখ্যা যত সময় গড়াচ্ছে ততই যেন বেড়ে চলেছে। এতদিন ছিল শতাংশের হাড়ে পিছিয়ে শহর কলকাতা, এবার বাড়ি বাড়ি গিয়েও দেখা মিলছে না অনেক ভোটারের। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর সূত্রের খবর প্রায় ৩০ শতাংশের কাছাকাছি এই un collectable এর সংখ্যা গোটা রাজ্য জুড়ে। যেখানে শহর কলকাতায় গোটা রাজ্যের সঙ্গে একাই পাল্লা দিচ্ছে আর এতেই যত সময় গড়াচ্ছেন কমিশনের কপালে চিন্তার ভাঁজ যেন আরো চওড়া হচ্ছে। তবে এখনই এই un collectable কে বাদ বলা যাবেনা। তার কারণ এই সংখ্যা এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে বুথ লেভেল অফিসার মারফৎ। তাই এটাই যে চূড়ান্ত তা নয়। আগামী ৪ঠা ডিসেম্বর পর্যন্ত এনুমারেশন ফর্ম জমা করা যাবে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট এই সময় পেরিয়ে গেলে খসড়া ভোটার তালিকায় un collectable এর নাম থাকবে না যা প্রকাশিত হবে ৯ই ডিসেম্বর। তবে এরপরেও যদি কেউ ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান বা সংশোধন করতে চান তাহলে পুনরায় ফরম পূরণ করে জমা দিতে হবে ৮ই জানুয়ারীর মধ্যে অন্যথা আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভোটার তালিকায় এইসব un collectable এর নাম থাকবে না। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের পক্ষ থেকে জোর কদমে প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে এই un collectable এর পরিসংখ্যান কমানোর। এখন দেখার বিষয় আদপে নির্বাচন কমিশন কতটা সক্ষম হয় একটা নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরী করতে আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে।



